গহীন জঙ্গলে কাঠ কুড়াতে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলল ছেলেটা। সন্ধ্যা নামছিল, চারপাশে শুধু গাছের ছায়া আর অচেনা শব্দ।
অন্ধকার আরো ঘন হওয়ার আগে, একটা মৃদু আলো দেখা গেল দূরে। সেই আলো অনুসরণ করে ছেলেটা পৌঁছাল এক ছোট্ট জলাশয়ের ধারে, যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক নারী, যার কথা শুধু গল্পেই শোনা যেত।
গ্রামের বুড়িরা বলতেন, জঙ্গলের গভীরে এক বনদেবী থাকেন, যিনি হারিয়ে যাওয়া পথিকদের পথ দেখান, কিন্তু কেউ তাকে চোখে দেখেনি কখনো।
বনদেবী ছেলেটাকে কিছু বললেন না, শুধু হাত দিয়ে একটা দিক দেখালেন। সেই দিকে হাঁটতেই ছেলেটা খুঁজে পেল পরিচিত পথ, যা তাকে গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে গেল।
বাড়ি ফিরে ছেলেটা যখন এই ঘটনা বলল, কেউ বিশ্বাস করল না, শুধু দাদি মৃদু হাসলেন। পরদিন ছেলেটার হাতে পাওয়া গেল একটা সবুজ পাতা, যা সেই জঙ্গলে জন্মায় না — একমাত্র প্রমাণ, যা সে কাউকে দেখাল না।